ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর ২০২৫ । আনঅফিসিয়াল ফোন বিক্রিতে মার্চ পর্যন্ত সময় পেলেন ব্যবসায়ীরা?
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে কার্যকর হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এই প্রেক্ষিতে, বাজারে মজুত থাকা আনঅফিসিয়াল (অবৈধভাবে আমদানিকৃত) মোবাইল ফোন সেটগুলোর বিক্রি ও নিবন্ধন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে হ্যান্ডসেট উৎপাদক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং মোবাইল ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
✅ মূল সিদ্ধান্ত: আনঅফিসিয়াল ফোন বিক্রির সময়সীমা বৃদ্ধি
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আনঅফিসিয়াল ফোন বিক্রির জন্য বিক্রেতারা আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে কোনো ক্রেতা যদি আনঅফিসিয়াল ফোন কেনেন, তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।
মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. আসলাম বৈঠক শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মার্চ মাসের পর থেকে আর কোনো অবস্থাতেই আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন বিক্রি বা নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে না। তিনি আরও জানান, সরকার আগামীকাল, বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর), এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেবে।
💥 এনইআইআর সংস্কারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ
এদিকে, এনইআইআর সিস্টেম কার্যকর হওয়ার আগে এর সংস্কারের দাবিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন মোবাইল ফোন বিক্রেতারা।
বিক্রেতাদের এই আন্দোলন প্রসঙ্গে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. আসলাম বলেন, “সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।”
এনইআইআর সিস্টেম কার্যকর হলে শুধুমাত্র বৈধ পথে আমদানিকৃত বা দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনই নেটওয়ার্কে সচল থাকবে, যা অবৈধ হ্যান্ডসেট আমদানি ও বিক্রির লাগাম টেনে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে।


