সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি: গ্রেডেশন তালিকা পাঠানোর নির্দেশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলার সকল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্ধারিত গ্রেডেশন তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে জারি করা এক দাপ্তরিক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
দ্রুত পদোন্নতি কার্যক্রম সম্পন্নের উদ্যোগ
পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখের নির্দেশনার আলোকে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে মহাপরিচালকের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা (Seniority) ভিত্তিক হালনাগাদ গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুত করে জেলা দপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।
৪ পৃষ্ঠার গ্রেডেশন তালিকা জমা দিতে হবে
দাপ্তরিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা পর্যায়ে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে চার (০৪) পৃষ্ঠার গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
এ তালিকায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা, চাকরির তথ্য এবং পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে, যাতে পরবর্তী যাচাই-বাছাই ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
নির্ধারিত সময়সীমা
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ী, ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে সকল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে গ্রেডেশন তালিকা জেলা কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য পাঠানোর মাধ্যমে পদোন্নতি কার্যক্রমে বিলম্ব এড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যাদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে
দাপ্তরিক পত্রের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে—
- মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।
- বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা, ময়মনসিংহ বিভাগ।
- অফিস কপি।
শিক্ষকদের জন্য গুরুত্ব
প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে গ্রেডেশন তালিকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাই তালিকা প্রস্তুতের সময় চাকরির তথ্য, যোগদানের তারিখ, জ্যেষ্ঠতার ক্রম এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জেলা পর্যায়ে দ্রুত গ্রেডেশন তালিকা সংগ্রহের এই উদ্যোগের ফলে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রমও ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।



