এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকের ৩ মাসের বকেয়া বেতন ও উৎসব ভাতা প্রদানের আবেদন
ময়মনসিংহ অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর এনটিআরসিএ (NTRCA) কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত এক সহকারী শিক্ষকের বকেয়া বেতন এবং উৎসব ভাতা প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক মো: আমিনুল ইসলাম, ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক (ভৌতবিজ্ঞান) হিসেবে কর্মরত।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
আবেদনপত্র থেকে জানা যায়, মো: আমিনুল ইসলাম এনটিআরসিএ-এর সুপারিশ অনুযায়ী গত ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। বিধি মোতাবেক তিনি মে ২০২২ মাস থেকে এমপিওভুক্ত (MPO) হন। তবে যোগদানের তারিখ থেকে এমপিওভুক্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং এপ্রিল ২০২২—এই তিন মাসের বকেয়া বেতন এবং ওই সময়ের বৈশাখী ও ঈদুল ফিতরের উৎসব ভাতা তিনি অদ্যাবধি পাননি।
বকেয়া পাওনার হিসাব
আবেদনে উল্লিখিত হিসাব অনুযায়ী, তিন মাসের মূল বেতন, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা মিলিয়ে মোট ৪৩,৮৭৫/- (তেতাল্লিশ হাজার আটশত পঁচাত্তর) টাকা বকেয়া রয়েছে। বিস্তারিত হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:
| খাতের নাম | সময়কাল | টাকার পরিমাণ (টাকায়) |
| বকেয়া বেতন (কর্তন বাদে) | ফেব্রুয়ারি – এপ্রিল (৩ মাস) | ৩৩,৭৫০/- |
| বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা | ৩ মাস | ৪,৫০০/- |
| বৈশাখী ভাতা (২০২২) | মূল বেতনের ২০% | ২,৫০০/- |
| ঈদুল ফিতর উৎসব ভাতা | মূল বেতনের ২৫% | ৩,১২৫/- |
| সর্বমোট বকেয়া | ৪৩,৮৭৫/- |
বর্তমান অবস্থা
আবেদনকারী শিক্ষক যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর এই বকেয়া পরিশোধের জন্য সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেতন কোড-১১ অনুযায়ী এবং এনটিআরসিএ-এর বিধিমালা অনুসরণ করেই তিনি এই পাওনার দাবিদার।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির দীর্ঘসূত্রতার কারণে এমন বকেয়া সৃষ্টি হওয়া একটি নিয়মিত সমস্যা। মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত এই পাওনা পরিশোধ করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত হবেন।




