একুশে পদক ২০২৬ । বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নাম ঘোষণা
মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনাকে সমুন্নত রাখতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
পুরস্কার প্রাপ্তদের সংক্ষিপ্ত তালিকা ও ক্ষেত্র
এ বছর শিক্ষা, ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলাসহ মোট ১০টি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। নিচে মনোনীত কয়েকজনের তালিকা দেওয়া হলো:
| ক্রমিক | নাম | ক্ষেত্র |
| ১ | মরিনা খাতুন বিবি | শিক্ষা (মরণোত্তর) |
| ২ | ড. মো. জহির ইসলাম | ভাষা ও সাহিত্য |
| ৩ | সওকুনেজ (Saucunez) | সংস্কৃতি |
| ৪ | অরিন্দমেশ | চারুকলা |
| ৫ | আরিফ মাহমুদ | সাংবাদিকতা |
| ৬ | ইসলাম উদ্দিন শিপলার | সমাজসেবা |
| ৭ | শফিক রেহমান | জয়ন্ত হাজরা দাস (বিশেষ সম্মাননা) |
পটভূমি ও তাৎপর্য
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে এই পদক প্রবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের উৎসাহ ও সম্মান জানাতেই এই আয়োজন।
এবারের তালিকায় প্রবীণ ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল চিন্তাবিদদের নামও উঠে এসেছে। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে মরণোত্তর পদকপ্রাপ্ত মরিনা খাতুন বিবির নাম বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে। এছাড়াও সাংবাদিকতা ও শিল্পকলায় যারা মনোনীত হয়েছেন, তারা গত কয়েক বছর ধরে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
পুরস্কারের প্রকৃতি
প্রথা অনুযায়ী, একুশে পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ এবং একটি নির্দিষ্ট অংকের নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক হস্তান্তর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি আপনার সরবরাহকৃত ছবির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। কোনো তথ্যের পরিবর্তন বা আরও পরিমার্জন প্রয়োজন হলে জানাতে পারেন।



