সংসদ প্রাঙ্গনে শপথ অনুষ্ঠান ২০২৬ । একই দিনে এমপি ও মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হবে?
হ্যাঁ, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ অনুষ্ঠান একই দিনে হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
তবে দিনটি এক হলেও সময়ের ভিন্নতা রয়েছে এবং অনুষ্ঠান দুটি ভিন্ন স্থানে আয়োজন করার প্রস্তুতি চলছে:
শপথ অনুষ্ঠানের সময়সূচি:
সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ: ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এই অনুষ্ঠান হবে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
মন্ত্রিসভার শপথ: একই দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। এই অনুষ্ঠানটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (অথবা বঙ্গভবনে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে) আয়োজিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
নতুন সরকার প্রধান: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতে যাচ্ছে।
অতিথি তালিকা: এই শপথ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানরাও রয়েছেন।
নিরাপত্তা: নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ এলাকা ও আশেপাশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ শপথ পড়বেন কে?
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (মঙ্গলবার) নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের দিন। আজকের অনুষ্ঠানগুলো দুটি ধাপে পরিচালিত হচ্ছে:
১. সংসদ সদস্যদের (MP) শপথ
সময়: সকাল ১০টা।
শপথ পড়াবেন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
স্থান: জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষ।
বিশেষত্ব: গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের অনুপস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই শপথ পাঠ করাচ্ছেন।
২. প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ
সময়: বিকেল ৪টা।
শপথ পড়াবেন: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
স্থান: জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা।
বিস্তারিত: রাষ্ট্রপতি প্রথমে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান)-কে শপথ পড়াবেন এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
মনে রাখবেন: আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘ সময় পর একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অনেক উচ্চপদস্থ অতিথি উপস্থিত থাকছেন।



