যাকাত ও ফিতরার নেসাব ২০২৬ । সর্বনিম্ন ফিতরা ১০০ টাকা মাত্র?
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার মুসলিম উম্মাহর জন্য চলতি বছরের যাকাত ও ফিতরার নেসাব এবং হার ঘোষণা করা হয়েছে। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (০৫ রমযান ১৪৪৭ হিজরি) স্থানীয় বাজার দর বিশ্লেষণ করে টাঙ্গাইলের উলামায়ে কেরাম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নতুন হার নির্ধারণ করেন।
ফিতরা ও রুপার নেসাব
চলতি বছর টাঙ্গাইলবাসীর জন্য ফিতরা ও রুপার যাকাতের নেসাব নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৬২,৫০০/- (দুই লক্ষ বাষট্টি হাজার পাঁচশত) টাকা। অর্থাৎ, কারো নিকট নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের অতিরিক্ত এই পরিমাণ টাকা বা সমমূল্যের সম্পদ থাকলে তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে।
প্রতি জনপ্রতি ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে:
- সর্বনিম্ন: ১০০/- টাকা।
- সর্বোচ্চ: ৪,০০০/- টাকা (সামর্থ্য অনুযায়ী যব, কিসমিস বা পনিরের মূল্যমান বিবেচনা করে)।
স্বর্ণের যাকাতের নেসাব
যাদের কাছে যাকাতযোগ্য অন্য কোনো সম্পদ (যেমন: নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক পণ্য) নেই, কিন্তু শুধুমাত্র স্বর্ণ রয়েছে, তাদের জন্য নেসাব হলো ৭.৫ ভরি। টাঙ্গাইলের বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী এই স্বর্ণের নেসাব ধরা হয়েছে ১৮,০০,০০০/- (আঠারো লক্ষ) টাকা। উল্লেখ্য, কারো নিকট স্বর্ণের পাশাপাশি সামান্য নগদ টাকা বা অন্য সম্পদ থাকলেও তাকে রুপার নেসাব (২,৬২,৫০০/- টাকা) অনুযায়ী যাকাত দিতে হবে।
এক নজরে ২০২৬ সালের যাকাত-ফিতরা (টাঙ্গাইল)
| খাতের নাম | নেসাব/পরিমাণ | মন্তব্য |
| ফিতরা (জনপ্রতি) | ১০০/- থেকে ৪,০০০/- টাকা | সামর্থ্য অনুযায়ী প্রদান করা উত্তম |
| রুপার নেসাব | ২,৬২,৫০০/- টাকা | সাধারণ যাকাতদাতার জন্য প্রযোজ্য |
| স্বর্ণের নেসাব | ১৮,০০,০০০/- টাকা | শুধুমাত্র ৭.৫ ভরি বা তার বেশি স্বর্ণ থাকলে |
বিশেষ আহ্বান: > উলামায়ে কেরাম জানিয়েছেন, যাকাত ও ফিতরা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সম্পদের পবিত্রতা ও দরিদ্র মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে সময়মতো সঠিক হিসাব অনুযায়ী যাকাত ও ফিতরা আদায় করা প্রতিটি সামর্থ্যবান মুসলমানের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। বিশেষ করে টাঙ্গাইলের স্থানীয় অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এই অর্থ বিতরণে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।



