এইমাত্র পাওয়া

জন্মের পরই ‘এক-আইডি’: ২০ কোটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রে সরকারের ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প

এক পরিচয়ে মিলবে বহু সরকারি সেবা, যুক্ত হতে পারে এনআইডি-জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন তথ্যব্যবস্থা

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য জন্মের পর থেকেই একটি স্থায়ী, স্বতন্ত্র ও আজীবন ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল পরিচয় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার নাম ‘ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেনটিটি’ বা ‘এক-আইডি’। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একজন নাগরিকের জন্য একটি একক ডিজিটাল পরিচয় থাকবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা ও বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে।

এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ (ডি-স্টার) নামে একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা।

জন্মের পরই মিলবে স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয়

বর্তমান ব্যবস্থায় একটি শিশুর জন্মের পর জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়। এরপর ১৮ বছর পূর্ণ হলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। অর্থাৎ নাগরিকের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়পত্র ও নম্বর ব্যবহারের প্রয়োজন হয়।

প্রস্তাবিত ‘এক-আইডি’ ব্যবস্থায় এই ধারায় বড় পরিবর্তন আনার চিন্তা করছে সরকার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বয়সের কোনো সীমা ছাড়াই জন্মের পর থেকেই একজন নাগরিককে একটি স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয় দেওয়া হবে। এই পরিচয় তার জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বহাল থাকবে এবং সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

সরকারের লক্ষ্য হলো—একজন নাগরিককে বিভিন্ন দপ্তরে একই ব্যক্তিগত তথ্য বারবার জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনা।

‘একজন নাগরিক, একটি ডিজিটাল পরিচয়, একটি ওয়ালেট’

নতুন ব্যবস্থার ধারণাকে ‘একজন নাগরিক, একটি ডিজিটাল পরিচয়, একটি ওয়ালেট’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

এর অর্থ, একজন নাগরিকের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল পরিচয় থাকবে। সেই পরিচয়ের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি সেবা ও তথ্যব্যবস্থা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধাও এই কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

তবে প্রস্তাবিত ‘এক-আইডি’ কার্ডে ঠিক কী ধরনের তথ্য থাকবে, কীভাবে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা হবে এবং কোন কোন সেবা প্রথম ধাপে যুক্ত হবে—এসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এনআইডি, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডও কি এক প্ল্যাটফর্মে আসবে?

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে বিদ্যমান বিভিন্ন পরিচয়ব্যবস্থা ও কার্ডভিত্তিক সেবাকে ‘এক-আইডি’র সঙ্গে সংযুক্ত করার চিন্তা রয়েছে।

এর মধ্যে থাকতে পারে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি
  • জন্মনিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য
  • ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক সেবা
  • কৃষক কার্ডভিত্তিক সেবা
  • অন্যান্য সরকারি পরিচয় ও সেবাব্যবস্থা

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব কার্ড ও পরিচয়ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে একীভূত করার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রকল্পটি অনুমোদন, নীতিগত কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ের পর এ বিষয়ে আরও স্পষ্টতা আসতে পারে।

প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য পরিকল্পনা, ছাপা হবে ২০ কোটি কার্ড

প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জনশুমারির তথ্য বিবেচনায় দেশের প্রায় ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তবে ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন জন্ম এবং অতিরিক্ত চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মোট ২০ কোটি কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

প্রতিটি কার্ড হবে পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড।

প্রাথমিক ব্যয় প্রস্তাব অনুযায়ী—

  • কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ: ২ মার্কিন ডলার
  • বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক: ২৪৬ টাকা
  • কার্ড বিতরণ ও সরবরাহ: ১ মার্কিন ডলার
  • বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক: ১২৩ টাকা

অর্থাৎ একটি কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ, বিতরণ ও সরবরাহে মোট আনুমানিক ৩৬৯ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার বিশাল প্রকল্প

‘ডি-স্টার’ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর মধ্যে—

  • সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন: ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা
  • বিশ্বব্যাংকের ঋণ: ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা

প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় ব্যয়ের খাত হলো নাগরিকদের জন্য কার্ড তৈরি ও বিতরণসংক্রান্ত কার্যক্রম।

কার্ড উৎপাদন ও মুদ্রণ, নাগরিকদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ এবং কার্ড বিতরণ—এই তিন প্রধান কাজে মোট ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ প্রকল্পের মোট ব্যয়ের বড় অংশই সরাসরি নাগরিক পরিচয়ব্যবস্থা তৈরির অবকাঠামো ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে ব্যয় হওয়ার কথা।

কেন প্রয়োজন একক ডিজিটাল পরিচয়?

বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে একাধিক পরিচয়পত্র ও নম্বর ব্যবহার করতে হয়।

উদাহরণ হিসেবে রয়েছে—

  • জন্মনিবন্ধন নম্বর
  • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
  • পাসপোর্ট নম্বর
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন
  • বিভিন্ন সরকারি সেবার পৃথক নিবন্ধন ও ডেটাবেইস

ফলে একই নাগরিকের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, পারিবারিক তথ্যসহ নানা তথ্য একাধিক সরকারি দপ্তরের কাছে পৃথকভাবে জমা থাকে।

এই তথ্যভান্ডারগুলোর মধ্যে কার্যকর ও নিরাপদ আন্তসংযোগ তৈরি করা গেলে নাগরিককে একই তথ্য বারবার দিতে হবে না—এমন প্রত্যাশা সরকারের।

একটি সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদিত তথ্য যাচাই করতে পারলে সেবা প্রদানের সময় কমতে পারে। একই সঙ্গে ভুল তথ্য, ডুপ্লিকেট রেকর্ড এবং পরিচয় যাচাইসংক্রান্ত জটিলতা কমানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবায়ও ব্যবহারের লক্ষ্য

প্রস্তাবিত ‘এক-আইডি’ শুধু পরিচয়পত্র হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা নয়। এটি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের একটি ডিজিটাল ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার চিন্তা রয়েছে।

বিশেষ করে—

স্বাস্থ্যসেবা: নাগরিকের পরিচয় দ্রুত যাচাই ও সেবার সঙ্গে ডিজিটাল তথ্য সংযোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শিক্ষাসেবা: শিক্ষার্থীর বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য ও সনদ ব্যবস্থাপনায় একটি অভিন্ন পরিচয় ব্যবহারের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সামাজিক সুরক্ষা: সরকারি ভাতা ও অন্যান্য সুবিধার প্রকৃত উপকারভোগী শনাক্তকরণ সহজ হতে পারে।

সরকারি সেবা: বিভিন্ন দপ্তরে আলাদা আলাদা নিবন্ধনের পরিবর্তে একটি ডিজিটাল পরিচয়ের মাধ্যমে সেবা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে কোন সেবা কীভাবে এবং কোন পর্যায়ে ‘এক-আইডি’র সঙ্গে যুক্ত হবে, তা প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করবে।

বড় চ্যালেঞ্জ হবে তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা

প্রায় ১৮ কোটি মানুষের পরিচয়, বায়োমেট্রিক ও অন্যান্য তথ্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করার উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত বড় ও জটিল কাজ।

বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে, এমন একটি ব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে কয়েকটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে—

  • নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা
  • বায়োমেট্রিক তথ্য সুরক্ষা
  • অননুমোদিত তথ্য ব্যবহার রোধ
  • সাইবার হামলা মোকাবিলা
  • বিভিন্ন সরকারি ডেটাবেইসের মধ্যে নিরাপদ আন্তসংযোগ
  • কোন প্রতিষ্ঠান কোন তথ্য দেখতে পারবে, তার সুস্পষ্ট নীতিমালা
  • তথ্য সংশোধন ও ভুল রেকর্ড সংশোধনের সহজ ব্যবস্থা
  • নাগরিকের সম্মতি ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা

কারণ, একক পরিচয়ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধা যেমন বিভিন্ন সেবা সহজ করা, তেমনি এর তথ্য সুরক্ষা দুর্বল হলে ঝুঁকির পরিমাণও বড় হতে পারে।

শুধু নতুন কার্ড নয়, লক্ষ্য বড় একটি ডিজিটাল অবকাঠামো

প্রস্তাবিত প্রকল্প বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরকারের পরিকল্পনা কেবল আরেকটি নতুন পরিচয়পত্র ছাপানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মূল লক্ষ্য হচ্ছে নাগরিককে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত ডিজিটাল সেবা অবকাঠামো তৈরি করা।

অর্থাৎ ভবিষ্যতে একজন নাগরিকের পরিচয় যাচাই, সরকারি সেবা গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট ডিজিটাল লেনদেন—এসবকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সম্ভাবনা তৈরি করা হচ্ছে।

তবে এই উদ্যোগ সফল করতে হলে এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর, পাসপোর্টসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার তথ্যব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন হবে।

এখন অপেক্ষা পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের

‘ডি-স্টার’ প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে এর বিস্তারিত বাস্তবায়ন কাঠামো, কার্ডের নকশা, তথ্যের ধরন, বায়োমেট্রিক সংগ্রহের পদ্ধতি এবং বিদ্যমান পরিচয়ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা হলেও প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপ কখন শুরু হবে এবং নাগরিকরা কবে থেকে ‘এক-আইডি’ সুবিধা পেতে শুরু করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি।

নাগরিকসেবায় নতুন যুগের সম্ভাবনা, তবে প্রশ্নও কম নয়

বাংলাদেশে ডিজিটাল সরকারি সেবার পরিধি দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু একই নাগরিকের তথ্য এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিচ্ছিন্নভাবে সংরক্ষিত থাকায় সেবা নিতে প্রায়ই একাধিক নিবন্ধন, কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়।

সেই বাস্তবতায় ‘এক-আইডি’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে নাগরিকসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। জন্ম থেকে শুরু করে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে একই পরিচয়ের মাধ্যমে সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে প্রকল্পটির সাফল্য নির্ভর করবে শুধু ২০ কোটি কার্ড ছাপানোর ওপর নয়। বরং তথ্যের নিরাপত্তা, নাগরিকের গোপনীয়তা, শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় এবং স্বচ্ছ আইনি কাঠামো নিশ্চিত করার ওপরই নির্ভর করবে ‘এক-আইডি’র প্রকৃত ভবিষ্যৎ।

সব মিলিয়ে, জন্মের পর থেকেই নাগরিককে একটি আজীবন স্থায়ী ডিজিটাল পরিচয়ের আওতায় আনার এই উদ্যোগ বাংলাদেশের সরকারি সেবা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এখন পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদন এবং প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে নাগরিকদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *