বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সত্যের দাবি, সবার আগে

ব্রেকিং
তরঙ্গ বরাদ্দের মেয়াদ ২০ বছর করার প্রস্তাব, রাজস্ব নিয়ে ভাবছে অর্থ মন্ত্রণালয় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫% পর্যন্ত লভ্যাংশে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ৮০০ কোটি রুপির ঘরে ‘জেলার ২’, তামিল সিনেমার সব রেকর্ড ভাঙলেন রজনীকান্ত সিলেট টেস্টে সমতায় ফেরার লড়াই, মুমিনুলের জায়গায় অমিত ব্রেক্সিট-পরবর্তী খাদ্যপণ্যের চেক তুলে দিতে খসড়া চুক্তিতে একমত যুক্তরাজ্য-ইইউ মজুরি আন্দোলনের চতুর্থ দিনেও বন্ধ প্রায় ৫০০ পোশাক কারখানা জন্মদিনে ‘কিং’-এর প্রথম গান ‘তু মিল যায়ে’ প্রকাশ করলেন শাহরুখ চিকিৎসা খরচে দরিদ্র ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ, আর্থিক কষ্টে ৪১.৭% এইচএসসি-এসএসসি ফলাফল জানার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা: অনলাইন চেক, এসএমএস ও পুনর্নিরীক্ষণ পকেটে ফোন রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়? যা বলছে বড় গবেষণা

জমির মালিকের ওপর ১৫% কর আত্মঘাতী, আবাসন খাত ধ্বংস হলে সরকারের ৫০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি: রিহাব সভাপতি

জমির মালিকের ওপর ১৫% কর আত্মঘাতী
জমির মালিকের ওপর ১৫% কর আত্মঘাতী, আবাসন খাত ধ্বংস হলে সরকারের ৫০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি: রিহাব সভাপতি ছবি: ClaimBD

প্রস্তাবিত বাজেটে জমি বা ফ্ল্যাট মালিকদের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বলে অভিহিত করেছেন আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহাব)-এর সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে দেশের উদীয়মান আবাসন খাত চরম ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

এক বিবৃতিতে রিহাব সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল জানান, প্রস্তাবিত এই কর নীতি দেশের আবাসন শিল্পের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জমি ও ফ্ল্যাট ক্রেতা এবং মালিকদের ওপর ১৫ শতাংশ করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে আবাসন নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এই খাতের বিনিয়োগকারীরা চরম সংকটে পড়বেন, যা সামগ্রিক আবাসন শিল্পকে স্থবির করে দিতে পারে।

তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের কারণে দেশের আবাসন খাত চূড়ান্তভাবে ধ্বংসের মুখে পতিত হয়, তবে সরকার নিজেই বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আবাসন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকারের প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব হারানোর শঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতি ও আবাসন খাতের চাকা সচল রাখতে এবং মধ্যবিত্তের আবাসন স্বপ্ন বজায় রাখতে এই কর নীতি পুনর্বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি। আবাসন খাত শুধু আবাসনই নিশ্চিত করে না, বরং এর সাথে রড, সিমেন্ট, ইটসহ আরও বহুবিধ শিল্প প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ফলে এই খাতে ধস নামলে কর্মসংস্থানেও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

তাই দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বার্থ ও রাজস্ব সুরক্ষায় প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ করের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার বা যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের নীতি নির্ধারকদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন রিহাব নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।