অভিযোগ
২৮ অক্টোবরের ঘটনায় বিএনপির একটি অংশ জড়িত ছিল, অভিযোগ জামায়াত এমপি বুলবুলের
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনের ঘটনায় তৎকালীন জোট সরকারের শরিক বিএনপির একটি অংশ জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতা ও এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের প্রধান শরিক বিএনপির ‘একটি অংশ’ জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
‘নয়াপল্টন থেকে সহায়তা আসেনি’
বুলবুল বলেন, সেদিন বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সকাল থেকেই জামায়াত নেতা-কর্মীরা লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্রধারীদের হামলার মুখে পড়েন। অথচ একই জোটের শরিক হয়েও বিএনপি কয়েক গজ দূরে নয়াপল্টনে আলাদা সমাবেশ করেছিল এবং কোনো সহায়তা দেয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তাঁর ভাষ্য, পুরো বিএনপি এতে যুক্ত না থাকলেও দলটির একটি সুবিধাভোগী অংশ জামায়াতকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল। বর্তমানেও বিএনপি জামায়াতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন এই জামায়াত নেতা। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের সমাবেশের প্রসঙ্গও টানেন তিনি।
চার ঘটনার বিচার দাবি
সভায় নূরুল ইসলাম বুলবুল ২০০৬ সালের পল্টনের ঘটনা, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত ট্রাইব্যুনালে নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
যা ঘটেছিল ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ নিয়ে বিরোধের মধ্যে সেদিন পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় দিনভর সংঘর্ষ হয়। তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা-কর্মীরা লগি-বৈঠা নিয়ে রাজপথে নামেন। সংঘর্ষে ঢাকায় পাঁচজন নিহত হন, যাঁদের চারজন জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী।





মন্তব্য (০)