‘এত ঋণ কীভাবে শোধ করিমো, মেয়ের স্বর্ণই-বা কীভাবে দিমো’
অশোক চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাপের কাছ থেকে দুই শতক জমি পাইছি। এইটুকু জমির ওপর কষ্ট করে বাড়ি করছি। ছেলে ঢাকায় থাকে। ছেলে বড় হয়েছে, বিয়ে দিতে হবে। এ জন্য মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে কিস্তি নিয়ে, একটু একটু করে এলাকায় ঘুরে কাজকাম করে কিছু টাকা জমাইছিলাম।


