রমজানের ফজিলত এর সম্পর্কে জানা। আল্লাহ তাআলা রমজান ফজিলত এর সম্পর্কে কি বলেছেন তা সম্পর্কে জানা।

রমজানের ফজিলত

রমজান ইসলামের একটি পবিত্র মাস যা মুসলিমদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ফজিলত রয়েছে। এই মাসে মুসলিমদের রোজা রাখা হয় এবং এই রোজার সময়ে মুসলিমদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ফজিলত রয়েছে।

কিছু রমজান এর ফজিলত হলো

১। পরম সর্বশক্তিমান আল্লাহ রমজান মাসে অধিক করে দয়া করেন। মুসলিমদের দুনিয়াতে এবং আখেরাতে বরকত দেয়ার জন্য এই মাস খুব পবিত্র।

২। রমজান মাসে মুসলিমদের পুন্য সংগ্রহ করা হয়। রোজা রাখার ফলে মুসলিমদের দুনিয়াতে এবং আখেরাতে পুন্য হয়।

৩। রমজান মাসে কুরআন পড়া এবং অধ্যয়নের ফজিলত অধিক। মুসলিমদের রোজা রাখার সময় মুসলিমদের মন খুব শুদ্ধ থাকে এবং এই সময়ে কুরআন পড়া এবং অধ্যয়ন করা উচিত।

রমজান ইসলামের একটি পবিত্র মাস যা মুসলিমদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ফজিলত রয়েছে। এই মাসে মুসলিমদের রোজা রাখা হয় এবং এই রোজার সময়ে মুসলিমদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ফজিলত রয়েছে।

কিছু রমজান এর ফজিলত হলো

১। পরম সর্বশক্তিমান আল্লাহ রমজান মাসে অধিক করে দয়া করেন। মুসলিমদের দুনিয়াতে এবং আখেরাতে বরকত দেয়ার জন্য এই মাস খুব পবিত্র।

২। রমজান মাসে মুসলিমদের পুন্য সংগ্রহ করা হয়। রোজা রাখার ফলে মুসলিমদের দুনিয়াতে এবং আখেরাতে পুন্য হয়।

৩। রমজান মাসে কুরআন পড়া এবং অধ্যয়নের ফজিলত অধিক। মুসলিমদের রোজা রাখার সময় মুসলিমদের মন খুব শুদ্ধ থাকে এবং এই সময়ে কুরআন পড়া এবং অধ্যয়ন করা উচিত।

১ম রমজান ফজিলত 

রোজাদার কে নবজাতের মত নিষ্পাপ করে দেই।

এই বাক্যটি হলো হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর একটি হাদিস যা বলে যে, “সকল পূর্ণ রোজাদারকে নবজাতের মত নিষ্পাপ করা হয়।” এই হাদিসে বোঝানো হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি রমজান মাসে পূর্ণ রোজা রাখবে এবং সমস্ত আমল সঠিকভাবে করবে, তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নবজাতের মত নিষ্পাপ করা হয়। এটি অর্থ যে, একজন রোজাদার যদি তার রোজার মাধ্যমে শুদ্ধ হৃদয়, সত্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধতা, মানবিকতা, কর্মঠতা, সদয়তা এবং দয়া জাগ্রত করে তাকে নবজাতের মত পাক ও পবিত্র করে দেওয়া হয়।

তাই, রোজাদারদের এই হাদিস থেকে মোটিভেশন পাবার জন্য উপযুক্ত যে শুধুমাত্র রোজা রাখা যথাযথ নয়। বরং রোজাদারদের কাছে সঠিক আচরণ, মানবিকতা, সদয়তা এবং সম্মানের প্রতি সাবলীল প্রচেষ্টা করা

২য় রমজান ফজিলত 

রোজাদার মা-বাবা মাফিয়া।
রোজাদারে মা-বাবা কে মাফ করে দেওয়া হয়।

রমজান মাস ইসলামিক ক্যালেন্ডারের নবম মাস। এই মাসে মুসলিম সমাজে সকল প্রকার পাপ, অপরাধ, ব্যবহার এবং শত্রুতা থেকে দূরত্ব বাড়ানো হয়। এই মাসে মুসলিম সমাজের সদস্যরা দিনের সময় খাদ্য, পানীয় এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপ নির্বাচিত করে রাখেন এবং রোজা রাখেন। রোজাদার ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা একটি পুণ্যকর কর্ম।

এই মাসে মা-বাবা কে মাফ করা হয় কারণ তারা তাদের সন্তানদের ইসলামিক প্রকৃতি শিখিয়ে দেয়া এবং তাদের প্রতি ভালবাসা দেখানোর মাধ্যমে সন্তানদের ইসলামিক শিক্ষা প্রদান করা হয়। এছাড়াও এই মাসে আল্লাহর প্রতি আরাধনা এবং প্রার্থনা করা হয়। এই কারণে মা-বাবা কে রোজাদার সন্তানদের উপর ভালবাসা দেখানো হয়।

তবে, এই বিষয়টি ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত বিষয় হিসাবে

একজন রোজাদার মানুষ যখন রমজানের মাসে সকালের নমাজ পড়ে, সেহেরি খেয়ে শুরু করে এবং ইফতারে সমাপ্ত হয়ে নফল নামাজ পড়ে তখন এক জন ফেরেশতা অবারও রোজাদার মানুষদের মাফ করার ঘোষণা দেয়। এটি সুন্দর একটি প্রতীক যা মুসলিমদের জন্য খুব প্রিয়।

আল্লাহ তা’আলা বহুধা রহমত করেন এবং তাঁর রহমতে আশা রাখি। সমস্ত মানুষকে আল্লাহর দরবারে ফিরে নিয়ে যেতে চাই। আল্লাহ আমাদের সকলকে গোপন রাখুন এবং পৃথিবীতে শান্তি এবং সমতা বৃদ্ধি করুন। আমীন।
আল্লাহ বলছেন রোজা দারদের নিজ হাতে পুরষ্কার দিবে।
আপনি সঠিক যে আল্লাহ তা’আলা কুরআনে বলেছেন, “সব পরিশ্রম করে কাজ করা দানকারীদের আল্লাহ তা’আলা তাদের পুরস্কার দিবেন। তাঁর পাকস্থলে কোন ন্যায্যতা নেই” (সূরা অন-নিসা ৪: ৩৫).

এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে, আল্লাহ তা’আলা দানকারীদের পুরস্কার দিবেন এবং তাঁর পাকস্থলে কোন ন্যায্যতা নেই। এছাড়াও হাদিসে প্রকাশিত হয়েছে যে, রোজাদারদের পুরস্কার আল্লাহ তা’আলা নিজ হাতে দেবেন। রোজা অবস্থানে আল্লাহ তা’আলা আমাদের যথাযথ পুরস্কার দেবেন।

একজন রোজাদার মানুষ সামাজিক এবং দৈনন্দিন জীবনে অনেক উপকার করতে পারেন এবং এই কারনে আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা সব সৃষ্টির প্রতি করুণাময় এবং সকল পুরস্কার তাঁর কাছেই আছে।

আল্লাহ বলছেন রোজা দারদের নিজ হাতে পুরষ্কার দিবে
হ্যাঁ, আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, “যারা রোজা রাখে তাদের জন্য হিসাব নিয়ে আমরা পুরস্কার দিব।” (সূরা আল বাকারাহ ২: ১৮৫) এছাড়াও প্রফেত মুহাম্মদ (সাঃ) একবার বলেছিলেন, “সমস্ত পরিশ্রম একটি পুরস্কারে চুক্তি হয়। আল্লাহ সূর্য আর চাঁদের মতো রোজা রাখাদের জন্য দুই উত্তর পুরস্কার দিবেন।” (সহীহ বুখারী ২২৫৪)

  1. এই পুরস্কার না হওয়া কখনই হারানো যায় না, কারণ আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সমস্তজ্ঞ। তাই রোজার মাধ্যমে আমরা আল্লাহের অনুগ্রহ এবং পুরস্কার পেতে চেষ্টা করতে পারি। ৩য় রমজানের ফজিলত :রমজান মাস ইসলামের হিজরি ক্যালেন্ডারে নবম মাস। মুসলিম জনগণ এই মাসে রোজা রেখে আল্লাহর কাছে ইবাদত করে এবং একটি পবিত্র মাসের অধিকার অর্জন করে। একটি হাদিসে প্রথম রমজান এর সম্পর্কে বলা হয়েছে:”ইসলামের বেশীর ভাগ পরিবার দুটি রহমতে পূর্ণ হয়েছে: রমজান মাস এবং জুম্মার দিন। ” (তিরমিজী)

    অর্থাৎ, রমজান মাসে পরিবারের মেধা ও সামাজিক দান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহিত ইবাদত করা অত্যন্ত মূল্যবান। এছাড়াও, রমজান মাসে আল্লাহর দরবারে আরজ করা একটি প্রচলিত সুন্নত। রমজান মাসে রোজার সময় মুসলিম জনগণ ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং মোটিভেশন পেতে পারে। রমজান মাসে সহরি ও ইফতারে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে উপহার প্রদান করা সুন্নত।

    তাই, রমজান মাসে মুসলিম জনগণ সমাজের সঙ্গে

    ৪থ রমজানের ফজিলত

    প্রত্যেকটি রমজান মাস ইসলামিক ক্যালেন্ডারের পবিত্র মাস হিসাবে বিবেচিত হয়। রমজান মাসে প্রতিদিন মুসলিম ভাইবোনদের আল্লাহর কাছে ইবাদত করতে হয়। রমজান মাস ইসলামী প্রচারণার মূল আধার। রমজান মাসে বর্তমান জীবনকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ বিদ্যমান হয়। এছাড়াও, রমজান মাস একটি পবিত্র মাস হিসাবে পরিচিত এবং এটি মুসলিম ভাইবোনদের একটি পর্বতীয় উন্নয়নের মুখোমুখি করে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতগুলোর মধ্যে একটি হলো রমজান মাসে পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াত করা। রমজান মাস একটি পবিত্র মাস হিসাবে বিবেচিত হলেও এটি কোরআন পড়ার জন্য খুব উত্তম মুহুর্ত হিসাবে পরিচিত। এর ফলে, রমজান মাসে মুসলিম ভাইবোনদের প্রতিদিন কোরআন

    আল্লাহ বলছেন রোজা দারদের নিজ হাতে পুরষ্কার দিবে
    হ্যাঁ, আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, “যারা রোজা রাখে তাদের জন্য হিসাব নিয়ে আমরা পুরস্কার দিব।” (সূরা আল বাকারাহ ২: ১৮৫) এছাড়াও প্রফেত মুহাম্মদ (সাঃ) একবার বলেছিলেন, “সমস্ত পরিশ্রম একটি পুরস্কারে চুক্তি হয়। আল্লাহ সূর্য আর চাঁদের মতো রোজা রাখাদের জন্য দুই উত্তর পুরস্কার দিবেন।” (সহীহ বুখারী ২২৫৪)

    1. এই পুরস্কার না হওয়া কখনই হারানো যায় না, কারণ আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সমস্তজ্ঞ। তাই রোজার মাধ্যমে আমরা আল্লাহের অনুগ্রহ এবং পুরস্কার পেতে চেষ্টা করতে পারি।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *