যেসব নিয়ম মানলে টাক মাথায় ও গজাবে  চুল!

আমরা অনেক সময় চুল পড়ার জন্য নানা ধরনের ওষুধ ব্যবহার ও সেবন করে  থাকি। তবু অনেক সময় আমাদের মাথায় প্রচুর চুল পড়ে যায় এবং মাথার ধীরে ধীরে টাক হয়ে যায়। আমাদের মধ্যেও যাদের চুল প্রচুর পড়ে তারা এ ধরনের ওষুধতেলের বিজ্ঞাপন দেখে,তেল কিনে ওষুধ সেবন করে কোনভাবে উপকৃত হননি।  তারা নিয়মিত যে নিয়মগুলো মানার মাধ্যমে চুল পড়া প্রতিরোধ করতে পারেন সেগুলো নিয়ে আজকে আলোচনা করব  কি হলো। মাথায় চুল গজানোর সবচেয়ে সহজ ও প্রাকৃতিক উপায় হল মেহেদি পাতা, আমলকি, রিঠা, শিকাকাই ,জবা ফুল, এলোভেরা, কালোজিরা ,আদা, পেঁয়াজ ইত্যাদি নিয়মিত নিয়মমাফিক তেল অথবা মিশ্রণ বানিয়ে চুলে দিতে হবে ।অবশ্যই এগুলো পরিমাণ মতো ও  নিয়মমেনে দিতে হবে। 

চুলগজানোর মিশ্রণটি যেভাবে তৈরি করবেন

তিশিরতেল দুই শত গ্রাম, কালোজিরা ১৫০ গ্রাম, পাতিলেবু চারটি ,মধু এক কেজি, রসুনের কোয়া তিনটি ,পেঁয়াজ ২০০ গ্রাম এলোভেরার পাতা বড় সাইজের একটি, জবা ফুল মাপ মতো চার থেকে পাঁচটি, আমলকি ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম ,আদা ৫০ গ্রাম,বিশুদ্ধ নারিকেল তেল ১ কেজি ।এগুলো কে চুলায় হালকা আছে জাল করে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল আপনার চুলের মিশ্রণটি। যা আপনার চুল গজাতে সাহায্য করবে।হবে আগের চেয়ে অনেক ঘন এবং নতুন চুল গজানো শুরু করবে। খুব অল্প সময়ে আপনি এর ফলাফল দেখতে পাবেন।

চুল গজানোর জন্য এই মিশ্রণটির পাশাপাশি যা খেতে পারেন

ম্যাগাজিন ডে বাই ডে থ্রি সিক্সটি ফাইভ এর একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত  হয়েছে কিছু উপকরণের কথা, যে উপকরণ গুলোর মিশ্রণ তৈরি করে  সেবন করলে মাথার টাক বা চুল পড়ার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান হবে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এই মিশ্রণটি সেবন করলে চুল পড়া খুব অল্প সময়ের মধ্যে এবং খুব অল্পদিনের মধ্যে কমে যাবে। নিচে এই উপকরণগুলোর মিশ্রণ কিভাবে বানাতে হবে তা দেওয়া হল-

 মিশ্রণ বানানো ধাপগুলো

  • প্রথমে একটি পাত্রে তিশি  নিতে হবে  ১৫০ গ্রাম, লেবু নিতে হবে চারটি এবং সেই লেবুগুলোর রস বের করে নিতে হবে, মধু নিতে হবে পরিমাণ মতো রসুনের কোয়া নিতে হবে চারটি।
  • রসুন  ও পাতিলেবু ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে এরপর ও মধু মিশিয়ে নিতে হবে ব্যস তৈরি হয়ে গেল আপনার ম্যাজিক মিশ্রণ। এবার এই মিশ্রণ একটি পাত্রে ভরে ফ্রিজে রাখুন।
  • প্রতিদিন খাবার খাওয়ার আগে এক চা চামচ করে মিশ্রণ খেয়ে নিন। যদি ঠান্ডা খেতে সমস্যা হয় তাহলে আগেই ফ্রিজ থেকে বের করে এক চামচ মিশ্রণ বের করে রুম টেম্পারেচারে রেখে দিন এরপর খেয়ে নিন।
  • চুল গজানোর পাশাপাশি এটি খেলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। আর তাই চুল গজানো সমস্যা যাদের নেই তারাওই মিশ্রণটি খেতে পারেন। রোগ প্রতিরোধক ও দৃষ্টি শক্তি বাড়ানোর জন্য চুল বাড়ানোর পাশাপাশি এটি আরো দুটি উপকার করছে।
  • আপনারা চাইলে এটি দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করতে পারেন এবং সেবন করতে পারেন।আপনারা চাইলে এই মিশ্রণটি সারা বছর সেবন করতে পারেন এর কোন সাইড ইফেক্ট নেই। যেহেতু এটি প্রাকৃতিক এবং সম্পূর্ণ কেমিক্যাল মুক্ত তাই এটি সেবন করলে তেমন কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বা কোন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বিনা দ্বিধা
  • এটি সেবন করা যায়। আপনি চাইলে ফ্রিজে অনেকদিন সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন। উপরোক্ত দুইটি পদ্ধতি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের চুল পড়ার সমস্যা থেকে নিরাময় পেতে পারে এবং টাক মাথায় চুল গজানোর   ম্যাজিক দেখতে পারেন ।
  • যদি নিয়মিত আমার বলা এ পদ্ধতিগুলো আপনারা অনুসরণ করেন এবং এই মিশ্রণ গুলো ধাপে ধাপে ব্যবহার ও সেবন করেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের উপকার হবে। 

 সূত্র: ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *