মন ভালো করার উপায় ২০২৩ । মন ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

মন খারাপ হওয়া একটি সাধারণ মানসিক অবস্থা যা মানুষের জীবনের নিয়মিত অংশ। কারণগুলো বিভিন্ন হতে পারে যেমন নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্পর্কিত সমস্যা, নিরাপদ থাকতে না পারা বাসার পরিবেশ, কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা ইত্যাদি।

মন খারাপ হলে আপনি ব্যক্তিগত সমস্যা বা জীবনের অন্যান্য সমস্যার সমাধান করার জন্য নির্দেশ অনুসরণ করতে পারেন। নিয়মিত ব্যায়াম, সময় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ কাজ করতে এবং পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে আচরণ করতে সহায়তা করতে পারে।

আপনি যদি এই সমস্যার সমাধান করতে সমস্যার চেষ্টা করে থাকেন তবে আপনি অনেক সময়ে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। তবে, যদি মনে হয় যে আপনার মন খারাপ হওয়া একটি বিষদ সমস্যা তবে আপনাকে একজন মনের বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত।

মন ভালো রাখার জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত কিছু করা উচিত:

১। সম্পূর্ণ ও নিয়মিত ঘুম নেওয়া উচিত। ঘুমের সময় মন এবং শরীরের পুনরুদ্ধার হয়।

২। নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৩। সময়ের মধ্যে প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো উচিত। মানুষ সমাজিক জীবনে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৪। পজিটিভ ভাবনা ধারণ করা উচিত। মনের ভালো রাখার জন্য পজিটিভ ভাবনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৫। আপনার সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করা উচিত। প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত কাজ করতে পারে মন ভালো রাখার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৬। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত।

মন ভালো রাখা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল মন এবং শরীর দুটি পরস্পর সম্পর্কিত। একটি নিয়মিত ও সুস্থ শরীর মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে এবং মন ভালো রাখা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একটি সুস্থ শরীর একটি নিয়মিত ও সঠিক খাদ্য ও পানীয়ের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করে, যা মনের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে এবং পরিবার, বন্ধুগণ এবং সামাজিক জীবনে আরও সক্ষম ও কার্যকর হতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে, মনের ভালো রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, মেধাতাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ এবং সম্পূর্ণ ও নিয়মিত ঘুম পাওয়া উচিত। এগুলি সমস্ত মানসিক সমস্যা ও তার সাথে সম্পর্কিত সমস্যার জন্য সমাধান হতে পারে।

মন ভালো রাখা নিয়ে ডাক্তারদের পরামর্শ হলো নিয়মিত মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য। এটি আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে কোনও সমস্যার সনাক্তকরণ করতে সহায়তা করতে পারে।

আপনি ডাক্তারদের কাছে যেমন শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়, ঠিক তেমনি মানসিক পরীক্ষাও করা হয়। আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার আছে কি না তা জানতে ডাক্তার আপনাকে প্রশ্ন করবেন এবং আপনার মনের স্বাস্থ্যকে সম্পর্কিত সমস্যার উপস্থাপন করবেন।

আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে সতর্ক হতে হবে এবং যেকোনো প্রশ্ন থাকলে সেগুলি ডাক্তারের সাথে আলোচনা করতে হবে। আপনার ডাক্তার আপনাকে একটি বিশেষ চিকিৎসা পরামর্শ দিতে পারেন যা আপনার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

মন ভিষণ অদ্ভুত এক জিনিস। মনের গহীনে কখন কি খেলা করে আমরা নিজেরাই অনেক সময় টের পাই না। আমাদের জীবনে মন খারাপ হয় নাই এমন মানুষ পাওয়া খুব মুশকিল। মন খারাপ অনেক কারণে হয়েছে। আবার মন ভালো ও হয়ে যায়, এটাই মনের প্রকৃতি, মনের গতি, এটাই নিয়ম। মন ভালো থাকবে, খারাপ থাকবে, অস্থির লাগবে, আবার ঠিক হয়ে যাবে, এটাই নিয়ম।

কারোর যদি মন খারাপ থাকে বা মন খারাপ feel করছেন, তখন আপনি কি কি করবেন? মন খারাপ হলে কিছু উপায় এর কথা আজকে বলবো, যে উপায় গুলো অবলম্বন করলে আপনার মন চাঙ্গা হয়ে যাবে।

১। মন খারাপ হলে আপনার মন খারাপের অনুভূতি গুলো কারোর সাথে শেয়ার করতে হবে। কাছের কোনো মানুষের সাথে, কোনো বন্ধুর সাথে, কাছের কোনো আত্মীয় স্বজনের সাথে অথবা আপনার নির্ভরযোগ্য কারোর সাথে যার কাছে আবেগ গুলো আপনি বলতে পারেন যিনি আপনাকে ভালোভাবে বুঝতে পারেন, যিনি আপনাকে জানেন, আপনার কষ্ট গুলো যিনি অন্তত মন দিয়ে শুনেন। এই রকম কারোর কাছে আপনার মনের কষ্ট গুলো বলা, এটা হচ্ছে প্রথম কথা, প্রথম কাজ। এখন বললে হয় কি, অনেক টাই হালকা feel করে। কোনো না কোনো একটা সমাধান চলে আসে।

দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে আপনি বলতে চাচ্ছেন না, আপনার ভয় লাগছে, সংকোচ লাগছে অথবা আপনার বলার মতো সেই রকম কেউ নাই, আপনার বন্ধুর সংখ্যা কম এমন ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি করবেন?সেক্ষেত্রে আপনি না বলতে পারলেও অন্তত কোনো একটি event এ আপনি বাইরে চলে যান। তাদের সাথে খেলতে চলে যান। তাদের সাথে খাওয়া দাওয়া করতে চলে যান। অথবা কিছুই না আপনার পরিচিত একটা মানুষের দোকান আছে, মুদি দোকান আছে তার সাথে বসে দুটো কথা বলেন, তার কাছে বসেন যিনি আপনাকে অগ্রাহ্য করবেন না এমন কিছু ও করতে পারেন। অর্থাৎ না বললেও কাছের মানুষের সাথে সময় কাটানো। এটি হচ্ছে প্রথম কাজ।

২। আপনি যতটুকু চাবাতে পারছেন না, যতটুকু চাবাতে পারছেন ততটুকুই মুখে নেওয়া আমরা বলি, এই প্রতিকি ভাষায় যদি আমরা বলতে যাই অর্থাৎ যেই মুহূর্তে মন খারাপ থাকে ঐ মুহূর্তে আসলে মানুষের মনটা দূর্বল থাকে তো ঐ সময় ছোটো ছোটো কাজ গুলোকেও অনেক বড় কাজ মনে হয়। অথবা স্বাভাবিক কাজ গুলো কেউ মনে হয় অনেক কঠিন কাজ এইগুলো আমার দ্বারা হবে না, এই কাজ আমি আর পারছি না। সামনে যেকোনো লক্ষ্য থাক না কেন সেই লক্ষ্যে মনে হয় যে আমি আর পারছি না। লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন, লক্ষ্য আপনার অর্জন হচ্ছে না এটাও আপনাকে আরো বেশি tension এ ফেলে দেয়। সব মিলিয়ে লেজে গোবরে অবস্থা হয়ে যায়। এই অবস্থায় আমরা যেটা বলি বড় বড় কাজকে ছোট্ট ছোট্ট ভাগে ভাগ করে নিন। ছোট্ট ছোট্ট ভাগ করে অল্প অল্প করে কাজটা আগান।তাহলে দেখবেন যে আপনার একটু relax লাগছে। কারণ আপনি কাজ পারছেন না, পারবেন না, সেটাকে ভেঙে ছোট্ট ছোট্ট করে একটা অংশ যদি সমাধান করতে পারেন দেখবেন মনে আত্মবিশ্বাস এসে গেছে। একটা অংশ সমাধান করতে পারলে পরের অংশ সমাধান করার জন্য মন থেকে আপনা আপনি ইচ্ছে চলে আসবে। সেটা করার চেষ্টা করেন। এবং বাস্তব সম্মত একটি target set করেন। ধরেন আপনার সামনে পরীক্ষা আছে, আপনার মন খারাপ যার জন্য আপনি পড়ালেখা থেকে অনেকটা পিছিয়ে গেছেন।

আপনি আগে যা যা করেছেন প্রয়োজনে আপনি বাস্তব সম্মত চিন্তা করুন যে সময় কম কিভাবে দ্রুত সময়ে সিলেবাস cover করবো, most important জিনিস গুলো আগে আমি cover করে নিলাম। এটা করতে পারেন আপনি। অথবা যেই কাজ গুলো আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে সেই কাজ গুলো না করে যে গুলো একটু সহজ কাজ সেগুলো আমি একটু আগে করি। সহজ জিনিস গুলো আগে করে ফেললে ধীরে ধীরে আপনার আত্মবিশ্বাস টা বাড়লো তখন আপনি আস্তে আস্তে কঠিন জিনিসের দিকে গেলেন। এইভাবে আপনি বাস্তব সম্মত target আগে set করুন তাহলে আপনার জন্য সুবিধা হবে।

নিজেকে blame করবেন না। আমি পারি না, আমি তুচ্ছ, আমার দ্বারা এই কাজ হবে না, আমিই আমার জীবনের জন্য দায়ী এই কাজ কখনো করবেন না। মনে রাখবেন আপনি আপনার নিজেকে কিন্তু সাহায্য করছেন। সে জন্যই আপনার এতো কিছু করা। তাই নিজেকে সাহায্য করতে হলে নিজের প্রশংসা করতে হবে, নিজের ভালো ভালো কাজ গুলো সম্পর্কে বেশি বেশি ভাবতে হবে। negative thought বা চিন্তা গুলো কে আনা যাবে না।

৩। Negative thought এর কথা যেহেতু উঠেই গেলো যখন মানুষ হতাশায় থাকে তখন বিভিন্ন negative চিন্তা আসতে থাকে। যেমন আমি ব্যর্থ, আমার দ্বারা কিছুই হবে না, আমি মনে হয় এই জায়গায় যেতে পারবো না বা কোনোদিনই আমার দ্বারা ঐ level টা achieve করা সম্ভব হবে না, কোনোদিনই আমি আর আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবো না, আমার চিকিৎসা করলেও কোনো লাভ হবে না। এই রকম negative চিন্তা গুলো আসতে থাকে। কোনো কারণে আপনার বন্ধু আপনার সামনে দিয়ে চলে গেলো আপনার দিকে ফিরেও তাকালো না আপনার মনে negative চিন্তা চলে আসতে পারে। ও, আজকে আমার এই অবস্থা সেজন্য আমার দিকে তাকালো না অথবা আমাকে সে এরকম ভাবছে সেজন্য আমার সাথে কথা বললো না। এই গুলো হচ্ছে negative চিন্তা। এই negative চিন্তা গুলো যখনই আসবে তখন আমরা বলি positive thought দিয়ে replace করুন। positive চিন্তা কি, যে আপনার এই বন্ধু টাই কতোবার আপনাকে ভালো সময় দিয়েছে সেটা চিন্তা করুন। আপনি বলছেন আপনি কিছুই পারেন না, আপনি আজ পর্যন্ত কি কি করেছেন সেটা দেখেন। কিছুক্ষন আগেও আপনি আপনার wife কে ঔষধ খাইয়ে এসেছেন, আপনার মায়ের blood pressure মেপে এসেছেন সেটাও একটা কাজ। আপনি কতো কিছু করছেন, আপনি হয়তো কালকেও আপনার বাসার জন্য বাজার করেছেন। কিছুক্ষণ আগেও আপনি আপনার পরিবারের জন্য একটা ডিম নিয়ে এসেছেন সেটাও একটা কাজ। এইরকম ছোট খাটো কাজ, তাছাড়া আপনার পরীক্ষার ফলাফলের মাইলফলক আছে, আপনার ভালো ভালো স্মৃতির যা যা আছে প্রয়োজনে আপনার ভালো ভালো কাজের একটা list তৈরি করেন। List করলে দেখবেন list কিন্তু ছোট নয় অনেক লম্বা হয়ে গেছে। এই positive জিনিস গুলো যখন আপনি বার বার দেখবেন, বার বার ভাববেন তখন দেখবেন negative চিন্তা কমে গেছে। মনের মধ্যে positive একটা ভাব আসছে এবং একটি ভালো লাগা কাজ করছে।

৪। প্রিয় কাজ গুলো করার চেষ্টা করুন। ভালো না লাগলেও মন খারাপ থাকলে না সবই খারাপ লাগা শুরু করে। তারপর ও যে কাজ গুলোতে আপনি বেশি interest, যে কাজ গুলো তে আপনার আগ্রহ বেশি, যেই কাজ গুলো আপনার ভালো লাগে সেই কাজ গুলো অল্প অল্প করে করতে পারেন। আপনার খুব ছবি আঁকতে পছন্দ হয়, কিন্তু এখন আপনার ছবি আঁকতে ভালো লাগছে না তখন আপনি আপনার ছবি আঁকার যতো materials আছে সেগুলো একটু গোছগাছ করেন।একটু নাড়াচাড়া করেন, সেভাবেই শুরু করেন না। কোন colour গুলো কোন side এ থাকবে সেগুলো একটু সাজান। কোন size এর তুলি গুলো আপনি ব্যবহার করতেন সেগুলো একটু organised করেন।সেরকম যার যেগুলো আগ্রহ সেগুলো একটু একটু করে করতে পারেন। দেখবেন একটু হলেও আপনার ভালো লাগা কাজ করবে, একটা সময় ঠিকই canvas এ আপনার রং তুলি চলে গেছে। এভাবে আস্তে আস্তে আগাতে হয়, প্রিয় কাজগুলো দিয়ে শুরু করতে হয়।

৫। বাইরে কোথাও বের হয়ে যেতে পারেন।যেই মুহূর্তে আপনার মন খারাপ লাগবে অন্তত বাসার সামনে বারান্দায় চলে যান, আপনার বাসায় কোনো গাছপালা থাকলে সেদিকে তাকান, অন্তত আপনি বাইরে বের হয়ে কিছুক্ষণ হেটে আসেন না। বাইরে ৩০ মিনিট হেটে আসেন, আসার পর দেখবেন মনটা শান্ত হয়ে গেছে। কোনো বাজার সদায় লাগলে সেগুলো করে আসতে পারেন। কার কি লাগবে ঘরে জিজ্ঞেস করবেন, তোমার কি লাগবে আমাকে বলো আমি এনে দিচ্ছি। যদি আপনি খুবই বিচলিত থাকেন, খুবই অস্থির থাকেন তাহলে এই কাজগুলো করতে পারেন। তাহলে দেখবেন এই কাজগুলো করার পরে আপনার আত্মবিশ্বাস টা একটু বেড়ে গেছে। ভালো লাগছে।

৬। ধৈর্য রাখতে হবে। ধৈর্য হারা হলে চলবে না। এই যে মন ভালো করার প্রক্রিয়া টা কিন্তু সময় লাগে। তাড়াতাড়ি অনেক সময় ঠিক হয় না। অল্প ছোট খাটো বিষয় হলে তাড়াতাড়ি হয়ে যায়, কিন্তু যদি বেশি জটিল অবস্থায় থাকেন তাহলে রাতারাতি change হবে না, একটু সময় লাগবে, ধৈর্য রাখতে হবে আপনাকে। এই ধৈর্য হারালে দেখবেন যে আপনি একটা সময় খুব frustration এ পড়ে গেছেন। খুব খারাপ কিছু করে ফেলতে মনে চায়। তাই ধৈর্য রাখতে হবে। এবং আপনার পাশের মানুষটিকে সব সময় পাশে রাখতে চেষ্টা করবেন এই বিষয় গুলো জানানোর জন্য। ঘুম আপনার মনকে ভালো রাখে। ঘুমের ব্যতয় ঘটাবেন না। আপনার মন খারাপ লাগছে সারা রাত আপনি জেগে আছেন, ফোন টিপছেন, টিভি দেখছেন, ওকে আপনি দেখেন, টিভি দেখেন, যেটা আপনার ভালো লাগে তবে ঘুমের cycle টা এলোমেলো করবেন না। সঠিক সময়ে ঘুমাতে যাবেন। সঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠবেন। যদি আপনি cycle টা ঠিক রাখতে পারেন তাহলে দেখবেন যে আপনার মন কিছু টা হলেও নিয়ন্ত্রণে আছে।

৭। হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। মন যখন খারাপ থাকে না তখন দেখা যায় মানুষ হুটহাট অস্থিরতায় নানা রকম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। অনেক shopping করে ফেললো। অনেক সময় মনে হয় যে আমি অমোক জায়গায় চলে যাই তারপর দেখা যায় একটি অঘটন ঘটিয়ে ফেললো। হঠাৎ করে দেখা গেলো মানুষের সাথে ঝগড়া লাগিয়ে ফেললো। তাই হুট করে কোনো কাজ করবেন না। একটু সময় নিন, একটু ভাবুন তারপর কাজ করুন। তাহলে দেখা যাবে অস্থিরতার মাত্রা টা খারাপ ভাবে বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে না। অস্থিরতার এই বহিঃপ্রকাশ হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে খারাপ ভাবে বয়ে নিয়ে আসতে পারে।

৮। স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন। যেই খাবার গুলো আপনার মনকে ভালো রাখে সেই খাবার গুলো খান।স্বাস্থ্য কর খাবার মানুষের মনকে ভালো লাগা দেয় এবং মানুষের মনকে একটু শান্ত রাখে।

৯। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আপনি যদি দেখেন আপনার এগুলো করে কাজ হচ্ছে না তখন একজন ডাক্তারের সাথে আলাপ করেন। যিনি এই বিষয় গুলো deal করেন তার সাথে আলাপ করেন।তাহলে দেখবেন যে আপনার সমাধানের পথ ঠিকই আসবে।

১০। জরুরি ফোন নাম্বার রাখুন। emergency একটি অবস্থার situation হলে আমি কার কাছে যাবো, কার সাথে যোগাযোগ করবো। যেমন আপনার খুব খারাপ লাগছে, আপনার মরে যেতে ইচ্ছে করছে, এই সময় আমি কাকে call দিবো, কাউকে না কাউকে আপনার call দিতেই হবে। কারোর সাথে কথা বললে দেখবেন সেই মুহূর্তটাকে আপনি সামলাতে পারবেন।

এই কাজগুলো follow করলে আপনি খুব সহজে মন ভালো রাখতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *