বিজ্ঞান কি? বিজ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

বিজ্ঞান হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন উপাদান, বিধি ও তথ্য ব্যবহার করে বিশেষ সমস্যাগুলি নিয়ে বিচার করে তাদের সমাধানের প্রচেষ্টা করে। বিজ্ঞান বিভিন্ন বিষয় যেমন তফসিলিক, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, ভৌতিকবিজ্ঞান, বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ ইত্যাদি এবং অন্য অনেক বিষয়ে আকর্ষণ করে। বিজ্ঞানের মাধ্যমে হাতে প্রাপ্ত তথ্য ও বৈজ্ঞানিক কৌশলের মাধ্যমে হামলা নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ :
“Science is the pursuit of knowledge and understanding of the natural and social world through observation and experimentation.”
“Science is a systematic method of acquiring knowledge through observation, experimentation and verification.”
“Science is the systematic study of the structure and behavior of the natural world through observation and experiment.”
“Science is a way of knowing about the natural world, based on evidence gathered through observation and experimentation.”
“Science is a way of investigating and exploring the physical and natural world using evidence and systematic methods.”
“Science is a systematic process of understanding the natural world through observation, experimentation, and the testing of hypotheses.


science বা বিজ্ঞান নিয়ে আমাদের জানার আগ্রহের কমতি নেই। তোমরা যখনি science কথাটির নাম শুনো তোমাদের মাথায় ভেসে ওঠে একজন নভোচারী মহাশূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছেন কিংবা একজন ডুবুরি প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশ থেকে তোমাদের জন্য নিয়ে আসছে অসাধারণ অসাধারণ কিছু ছবি। science বলতে আমরা বুঝি নিউটন এর সূত্র, গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর সূত্র। এই যে science এর এতো এতো কারিশমা তোমরা দেখলে তোমরা কি কখনো জানার চেষ্টা করেছো এই science এর সূত্র গুলো কিভাবে আসলে তৈরি হয়েছে? আজকে আমি তোমাদের সামনে সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করবো।


আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু হচ্ছে বিজ্ঞান বা science বলতে কি বোঝ এবং বিজ্ঞান কিভাবে কাজ করে।
বিজ্ঞান তার প্রথম step টা শুরু করে observation বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে। তুমি তোমার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা কেই এই পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে পারো।
ধরো তুমি একদিন লক্ষ্য করে দেখলে তোমার মাথার উপর সন্ধ্যাবেলা এক ঝাঁক মশা ঘোরাঘুরি করছে। এটা তোমরা সবাই দেখেছো তাই না? এই যে তুমি দেখলে একেই বলে observation বা পর্যবেক্ষণ। এটিই হচ্ছে science এর প্রথম ধাপ।


science এর 2nd step হচ্ছে hypothesis। Hypothesis আবার কি জিনিস? Hypothesis এর যদি বাংলা বলে থাকি খুব কষ্টের একটা বাংলা হয়ে যাবে। Hypothesis মানে হচ্ছে একটা educated guess করা অর্থাৎ তুমি একটা ধারণা করবে। এই ধরো তোমার মাথার উপর সন্ধ্যা বেলা এক ঝাঁক মশা ঘুরে। তো এটার কারণ কি এটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তুমি কতো গুলো hypothesis দিতে পারো। তুমি যেকোনো কথা কে hypothesis বলে চালিয়ে দিতে পারো। Hypothesis এর উপরে সব সময় ভরসা করে চলে যাওয়া যাবে না। যেমন তুমি বলতে পারো আমার মাথার উপরে মশা ঘুরে এটার একটা কারণ হতে পারে আমাদের চুল কালো, মশা কোনো ভাবে এই কালো রং এর প্রতি আসক্ত হতে পারে। এটাকে আমরা ধরি hypothesis number 1.যে মশা আমাদের চুলের প্রতি বা কালো রং এর প্রতি আসক্ত। আমরা আরেকটা hypothesis বানাতে পারি,

Hypothesis number 2.যে আমরা চুলে স্যাম্পু দিয়েছি, সেই স্যাম্পুর একটা সুগন্ধ থাকতে পারে। যার প্রতি আসক্ত হয়ে মশা আসলে আমাদের কাছে চলে আসে। so এই রকম তুমি যতোগুলো চাও guess করতে পারো। Guess এর প্রত্যেকটিকে আমরা বলবো hypothesis। তাহলে hypothesis কি? তোমার পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করার জন্য তুমি যেই guess বা অনুৃমান করবে তাই hypothesis।

Science এর ৩য় ধাপ হচ্ছে আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ যেটিকে আমরা experiment বলে থাকি। তুমি অসংখ্য hypothesis তৈরি করতে পারো, সেগুলো কে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখাতে হবে। so যেই পরীক্ষা টি তুমি করবে সেটা হচ্ছে experiment।


এখন প্রত্যেক টা hypothesis এর জন্য তোমাকে আলাদা আলাদা পরীক্ষা করতে হবে। ধরো আমাদের hypothesis 1 এ ছিল মশা কালো রঙের জন্য আমাদের চুলে আসক্ত হয়ে তার উপরে ঘোরাঘুরি করে সেটাকে আসো আমরা experiment দিয়ে প্রমাণ করি।


এই প্রমাণ টা চাইলে খালি ময়দানে মাঠে দাড়িয়ে তুমি ও করে ফেলতে পারো। কিভাবে আসো আমরা একটু চিন্তা করি। দেখো মশা তোমার চুলের কালো রঙের প্রতি আসক্ত হয়ে আসে কিনা প্রমান করার জন্য তুমি ৪/৫ জন বন্ধু নিয়ে সন্ধ্যা বেলা মাঠে চলে যাবে। তারপর ২ জন আলাদা দাঁড়াবো বাকি ৩ জন আলাদা দাঁড়াবে। এখন আমাদের সবার চুলের রং হচ্ছে কালো। So আমরা দেখবো বেশ কিছু কালো মশা আমাদের মাথার উপরে ঘোরাঘুরি করছে। So তুৃমি মনে করতে পারো এতেই কি প্রমান হয় মশা কালো রঙের প্রতি আসক্ত? না, শুধুমাত্র একটা group এর উপর পরীক্ষা চালাও এটা কখনো প্রমান করে না। প্রমান করার জন্য তোমাকে আরো একটা group নিতে হবে যাদের চুলের রং কালো না। অর্থাৎ চুলের রং কালো একটা group থাকতে হবে, চুলের রং কালো না এ রকম একটা group থাকতে হবে। যাদের চুলের রং কালো তাদের উপর মশা থাকবে, যাদের চুলের রং কালো না তাদের চুলের উপর মশা থাকবে না। এই ২টা ঘটনা একসাথে ঘটলে তাহলে আমাদের experiment টা প্রমানিত হবে। সেটা করার জন্য কি করবে? কতো গুলো সাদা কাপড় নিয়ে যাও। দুই জনের মাথায় সাদা কাপড় নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে , আর দুই জন কালো চুল নিয়ে দাড়িয়ে থাকবে। দেখবে যাদের চুলে কালো রং ছিল তাদের মাথার উপর মশা ঘুরছে, কিন্তু যাদের মাথায় সাদা কাপড় ছিল তাদের মাথার উপর মশা ঘুরছে না। যাদের চুল খোলা ছিল তাদের আমরা বলি experimented test group। যাদের মাথায় সাদা কাপড় বাঁধা ছিল তাদের আমরা বলি experimented control group। Test positive result দিবে। Control negative result দিবে। Test এবং control এর উপর ভিত্তি করে আমরা একটা experiment কে accept বা reject করবো।


তো আমরা hypothesis কে এভাবে একটা experiment দিয়ে প্রমাণ করে ফেলতে পারি। প্রমাণের পরবর্তী পার্ট কি? প্রমাণের পরবর্তী পার্টে hypothesis কে আমরা accept করবো or reject করবো। Experiment accept or reject করার পরে আমার হাতে দুটো রাস্তা থাকবে। তোমার experiment যদি ভুল হয় অর্থাৎ তোমার hypothesis যদি ভুল প্রমানিত হয় তোমাকে আবার নতুন করে একটা hypothesis দিতে হবে। দিয়ে সেই টাকে প্রমাণ করার জন্য আবার experiment করতে হবে।এইভাবে যতক্ষণ না পর্যন্ত hypothesis কে প্রমান করতে পারো ততক্ষণ এটি চালিয়ে যেতে হবে। কখনো কখনো যদি তোমার experiment hypothesis কে সঠিক করে ফেলতে পারে তখন congratulation। তোমার hypothesis টা তখন আর hypothesis না একটা theoryr দিকে এগিয়ে গেলো। যখন মানুষ hypothesis টা কে একটা experiment দিয়ে প্রমান করে ফেলে তখন তাকে আমরা বলি theory। Theory গুলো কে যখন পৃথিবীর সকল জায়গায় সকল পরিবেশে সকল অবস্থায় সঠিক প্রমান করে ফেলা যায় তখন এটাকে আরেকটা উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়। এটাকে আমরা বলে থাকি low of nature বা principle। যেমন নিউটন এর গতি সূত্র। এটা সকল জায়গায় কাজ করে। তাই এটাকে বলা হয়ে থাকে একটা low। So আমরা দেখলাম science এর hypothesis আছে। সেই hypothesis কে আমরা একটা experiment দিয়ে প্রমাণ করতে পারি। প্রমান করতে পারলে hypothesis টা হয়ে যায় একটা theory। Theory যদি সকল জায়গায় সবার কাছে প্রমাণিত হয় তখন সেটাকে আমরা বলে থাকি low। মূলত এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে science কাজ করে।


বিজ্ঞান হলো বিশ্বের সমস্ত ভৌত বিষয় গুলোর যাচাই করার একটি পদ্ধতি। আমরা আমাদের প্রত্যেক দিনের জীবনযাত্রায় অনেক জিনিস উপেক্ষা করে যাই। এসব কিছুর আবিষ্কার বা ব্যবহার যোগ্য করে তোলা বিজ্ঞানীদের কাজ। তারা বহুকাল যাবত করে আসছে। বিজ্ঞান শব্দের অর্থ বিশেষ জ্ঞান। এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে ল্যাটিন শব্দ scientia থেকে যাকে ইংরেজিতে বলে জ্ঞান।


বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বহু রকম আবিষ্কার করে থাকে।এবং এ আবিষ্কার নতুন কোষ থেকে শুরু করে ব

বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বহু রকম আবিষ্কার করে থাকে। এবং এ আবিষ্কার নতুন কোষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দিক দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। আপনারা শুনলে অবাক হবেন প্রত্যেক দিন প্রায় ৪১ প্রজাতির নতুন জিবের আবিষ্কার বিজ্ঞানীরা করে থাকেন।তার মানে আজও পৃথিবীর বহু প্রজাতি সম্পর্কে আমাদের অজানা।বিজ্ঞান শব্দ টি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় বিজ্ঞানিদের আবিষ্কারের ফলস্বরূপ হিসেবে। তাই বিজ্ঞানীদের জীবন ইতিহাস নিয়ে অনেকের মনে অনেক উৎসাহ দেখা দেয়।


বিজ্ঞান শব্দ টি সর্বপ্রথম ১৮৩৩ সালে ইংরেজ বিজ্ঞান বিষয়ক ফিলোসফার এবং ঐতিহাসিক William whewell এই নামটি করেন।


বিজ্ঞানের ইতিবাচক প্রভাব বৃহৎ হবে। তাই নিম্নলিখিত কেবল কিছু উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে:

প্রজ্ঞাপনের প্রভাব: বিজ্ঞানের মাধ্যমে উপলব্ধ নতুন উপকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন সুবিধা বৃদ্ধি করে তাদের মূল্য এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র উন্নয়ন করে।

স্বাস্থ্য প্রতিরোধ ও পুনঃস্থানাঙ্গতা: বিজ্ঞানের প্রত্যয়ন মাধ্যমে স্বাস্থ্য সম্পর্কে বৃহৎ জ্ঞান পেয়ে প্রতিরোধ করার মাধ্যম পাওয়া যায়।


সমাজ, খেলাধুলা, প্রতিক্রিয়া, প্রবাস, উন্নয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এর প্রভাব সম্পর্কে অনুমান করা বা তৈরি করা হয়। বিজ্ঞান দ্বারা তৈরি করা উন্নয়োগের সাথে লোকজন তাদের জীবনকালের মাধ্যমে বৃদ্ধি করে তাদের জীবন সহজ ও সুবিধাজনক করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *